‘প্রযুক্তিতে শত বছর পিছিয়ে পড়া জাতিকে এগিয়ে নেয়ার নায়ক তিনি’

২৭ জুলাই, ২০২৩ ২১:০৩  

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ কর্মসূচি অতীতের শতশত বছরের পেছনে পড়া বাঙালি জাতির এগিয়ে যাওয়ার সোপান। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার, ডিজিটাল সংযুক্তির মহাসড়ক নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -১ উৎক্ষেপণ, দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ এলাকায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক পৌছে দেওয়া, ইন্টারনেটের একদেশ একরেট চালু করার মাধ্যমে  ২০০৬ সালের প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের দাম  ৭৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে মাত্র ৬০ টাকায় নির্ধারন এবং  ফাইভ জি প্রযুক্তি যুগে বাংলাদেশের অভিযাত্রাসহ ডিজিটাল প্রযুক্তির অভাবনীয় বিকাশের ফলে বাংলাদেশ উন্নয়নের প্রতিটি সূচকে আজ বিশ্বের বিস্ময়। ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অতীতের প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব মিস করা ও  প্রযুক্তিতে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার নেপথ্য নায়ক হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্ট সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের  শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাড়িয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রাম এগিয়ে নিতে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিত উদ্যোগে দেশ প্রেমের মহান ব্রত নিয়ে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড কার্যালয়ে  বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র  ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এর ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে  বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বাংলা বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর সহপাঠী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি রোমন্থন করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাভাষার এই উদ্ভাবক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে মাঝের সারিতে বসা শেখ হাসিনা ছিলেন খুবই নিরঅহংকারি মানুষ। অতি সাধারণ ছিল তার জীবনযাত্রা। তিনি  বঙ্গবন্ধুর মতো এতো বড় মাপের একজন মানুষের সন্তান হয়েও লো প্রোফাইলের জীবন যাপন করতেন। বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হয়েও কখনো নিজেকে পরিচয় দিতেন না। সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়ও দেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী পিতা এবং তার মায়ের কাছ থেকে সেই গুণ পেয়ে সহজ-সরল এবং অতি সাধারণ জীবন যাপন করেন। সব চ্যালেঞ্জেই তার কাছ থেকে পরামর্শ পেয়েছি। তার ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশের নেপথ্যের কারিগর  সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরে অচিরেই বাংলাদেশ  বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তর লাভ করবে বলে মন্ত্রী দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদান তুলে ধরে বলেন, সজীব আহমেদ ওয়াজেদ  তরুণ প্রজন্মের এক অহংকার। তার মেধা ও প্রজ্ঞা  জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় উপনীত করেছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় পশ্চাদপদ জাতির রূপান্তরে অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছে। ডিজিটাইজেশনের জন্য তার অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তার অবদান বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না বলে উল্লেখ করেন। পরে মন্ত্রী কেক কেটে সজীব আহমেদ জয়ের জন্মদিবস উদযাপন করেন।